এটি মাল্টি ফ্লোরাল অর্থাৎ খলিশা গরান কেওড়া বাইন ইত্যাদি বিভিন্ন বুনো ফুলের নির্যাস এতে থাকে। যার কারনে এর স্বাদ কিছুটা টক-মিষ্টি গন্ধ তীব্র ও সুবাসিত এবং হালকা বাদমি বা সোনালি রঙের হয়ে থাকে। এই মধু সম্পূর্ন প্রাকৃতিক বা কাঁচা (র) অবস্থায় সংগ্রহ করা হয়। এবং প্রক্রিয়াজাত করা হয় না। এছাড়াও, এতে ঘনত্বের পরিবর্তন দেখা যায়, শীতকালে এটি একটু পাতলা হয়। কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য:
রঙ:সাধারণত হালকা সোনালি থেকে গাঢ় বাদামী রঙের হয়ে থাকে।
গন্ধ ও স্বাদ:বুনো ফুলের নির্যাস থাকার কারণে এর গন্ধ তীব্র ও সুবাসিত হয় এবং স্বাদে মিষ্টি ও কিছুটা ঝাঁঝালো ভাব থাকে।
ঘনত্ব:প্রাকৃতিক কারণে এবং সুন্দরবনের আর্দ্র আবহাওয়ার জন্য এটি তুলনামূলকভাবে পাতলা হয়, যা শীতকালে আরও বেশি পরিলক্ষিত হয়।
ফেনা তৈরি:হাত দিয়ে চাক কাটা পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা হলে এতে হালকা ফেনা বা বুদবুদ দেখা যেতে পারে।
উপাদান:এতে বিভিন্ন খনিজ উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং হজম শক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।
আলহামদুল্লিলাহ , তাকওয়া শপের মধু ১০০% ন্যাচারার মধু। এই মধুর সাথে কোন প্রকার চাষের মধু মিক্সিং নাই। কোন গবেষক যদি অর্গানিক মধু বলে সার্টিফািই করে তাহলে তার মধ্যে সুন্দরবনের মধু থাকবে ইনশাআল্লাহ। বাজারে বা অনলাইনে অনেক সময় কমদামে সুন্দরবনের মধু সেল করা হয় তার বেশির ভাগই চাষের মধু।
অনেক সময় সম্মানিত গ্রাহকগন প্রশ্ন করেন যে এই মধু খলিশা ফুলের মধু কিনা? আসলে বাজারে আমরা যে মধু সেল করি এই মধু গুলো খলিশা ফুলের মধু বলে সেল করা হয়। কিন্ত আমি ব্যক্তিগত ভাবে কখনো এটাকে খলিশা ফুলের মধু বলিনা । কারন কথাটা আমি এইভাবে বলি, আমি কিন্তু মৌমাছির সাথে যায়না বা ক্যামেরা সেট করে দেইনা। এই কারনে আমি এই মধুকে প্রথম টানের মধু বলি। আর সুন্দরবনে প্রথম দিকে খলিশা ফুলের পরিমান বেশি থাকে অন্য ফুলের পরিমান কম থাকে যে কারনেে এটাকে খলিশা ফুলের মধু বলা হয়্। কিন্তু আমি এটাকে সুন্দরবনের প্রথম টানের প্রাকৃতিক চাকের মধু বলি।
একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে সময়ে খলিশা ফুলের পরিমান বেশি থাকে ঠিক সেই সময় কিন্তু মৌয়ালরা মধু কাটার পাস পাইনা। যার কারনে কিছুদিনের গ্যাপ থাকার কারনে মৌমাছি কিন্তু এর মধ্যে আরো কিছু ভিন্ন ফুল ফোটে এবং সেথান থেকে কিন্তু মৌমাছি নেক্টর সংগ্রহ করা শুরু করে। আপনার আমার কারনে মৌমাছি বসে থাকবে না।
প্রতিদিন ১ চামচ মধু খেলে শরীরের এন্টিবডি তৈরি করে যার কারনে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তাছাড়া মধু এমন একটি এন্ডিবায়োটিক যেটা একসাতে তিনটা জীবানু ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া এবং ফাঙ্গাস এর বিরুদ্ধে কাজ করে।